ঢাকা | বঙ্গাব্দ

আউট সোর্সিং ব্যবসাসহ অনিয়ম দুর্নীতিতে দস্যুরাজা এলজিইডি প্রধান প্রকৌ: বেলাল হোসেন

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Aug 22, 2026 ইং
আউট সোর্সিং ব্যবসাসহ অনিয়ম দুর্নীতিতে দস্যুরাজা এলজিইডি প্রধান প্রকৌ: বেলাল হোসেন ছবির ক্যাপশন: প্রধান প্রকৌশলী মোঃ বেলাল হোসেনের বিরুদ্ধে বিবিধ অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ
ad728
জয়নাল আবেদীন যশোরী:  
দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে স্পষ্ট ভাষায় ও দৃঢ় চিত্তে বলা যায় এলজিইডি’র বর্তমান প্রধান প্রকৌশলী মোঃ বেলাল হোসেন একজন আপাদমস্তক দুর্নীতিবাজ ও লুটপাটকারী। আমাদের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, সরকারি চাকরিবিধি উপেক্ষা করে তিনি নিজের নামে এলজিইডিতেই আউটসোর্সিং ব্যবসা করে আসছেন। নিজেই এলজিইডিতে সাপ্লাই দিচ্ছেন জনবল। তিনি তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী প্রশাসন ও পরবর্তীতে প্রধান প্রকৌশলীর দায়িত্বভার গ্রহণের পর থেকে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন। এই প্রধান প্রকৌশলী মোঃ বেলাল হোসেন পদ পদবীকে ব্যবহার করে ডিপার্টমেন্টকে হাতিয়ার হিসোবে ব্যবহার করে এলজিইডির উন্নয়ন উপেক্ষা করে বিবিধ উপায়ে ব্যবসাসহ অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে নিজের আখের গুছিয়ে নিতে আত্ম উন্নয়নে ব্যস্ত হয়ে পড়েন।
তিনি তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী প্রশাসন থাকাবস্থায়, এলজিইডির কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সমবায় সমিতি এলকেএসএস হিউম্যান রিসোর্স সেন্টারের মাধ্যমে, এলজিইডির বিভিন্ন প্রকল্পের বিভিন্ন পদে জনবল নিয়োগের জন্য ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে সেটি ব্যবহার করেন। তবে জনবল নিয়োগের জন্য কলকারখানা অধিদপ্তর থেকে "জি"শ্রেণির লাইসেন্স প্রাপ্ত প্রয়োজন হয়। কিন্তু তারা শুধুমাত্র ট্রেড লাইসেন্স দিয়ে আইন বহির্ভূত জনবল নিয়োগ শুরু করে। প্রথমদিকে এটি লিমিটেড কোম্পানী ক্যাটাগরিতে থাকলেও একসময় এটি ব্যক্তি মালিকানায় পরিবর্তিত হয়ে যায়। গত ২০২২, ২০২৩, ২০২৪, ২০২৫ ও ২০২৬ সালের প্রথম তিন মাস এই ট্রেড লাইসেন্সের একক মালিকানা ছিল বর্তমান প্রধান প্রকৌশলী মোঃ বেলাল হোসেনের নামে। যার ট্রেড লাইসেন্স নাম্বার ঃ ৎধফ/ফহপপ/০০৩৬০৭/২০২১। এর আগেরটি ছিলো এলকেএসএস হিউম্যান রিসোর্স সেন্টার, লাইসেন্স নং ১৩১১/২০২৪-২০২৫, ঠিকানা- ৬২, পশ্চিম আগারগাঁও শেরে বাংলা নগর, ঢাকা-১২০৭। কিন্তু প্রধান প্রকৌশলী বেলাল হোসেন যখন একক মালিকায় কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরে এলকেএসএস হিউম্যান রিসোর্স সেন্টার " জি" শ্রেণির লাইসেন্স এর আউটসোর্সিং পদ্বতিতে জনবল সরবরাহের ব্যবসা শুরু করতে আগ্রহী তখন বেরিয়ে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য। আর তখন অনুসন্ধানে নামে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর। যা ২৩- জুন ২০২৬ মোঃ মাহফুজুর রহমান ভূঁইয়া যুগ্ম মহাপরিদর্শক স্বাক্ষরিত একটি চিঠিতে জবাব চান। আপনি যে সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা মোতাবেক মোঃ বেলাল হোসেন সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে ব্যবসা পরিচালনা করতে পারেন কিনা এবং ঠিকানা পরিবর্তনের বিষয়টি কেন অত্র দপ্তরকে অবহিত করেননি- তার যথোপযুক্ত ব্যাখ্যা প্রদান করার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো। জনবল সরবরাহের নামে এলকেএসএস কোন প্রকার টিন ভ্যাট ছাড়াই চালিয়েছে আউটসোর্সিং ব্যবসা।  এ পর্যন্ত বিভিন্ন পদে প্রায় ৬৫০০ জন জনবল নিয়োগ দেযা হয়েছে। তাদের বেতন থেকে নিয়ম অনুযায়ী টিন ভ্যাট কর্তন করা হলেও তা সরকারি কোষাগারে জমা হয়নি। এর পরিমাণ প্রায় বিশ কোটি টাকা বা কমবেশি হতে পারে। আইন আছে আউটসোর্সিং নিয়োগপ্রাপ্তদের প্রতিবছর এক মাসের বেতন কর্তন করে এলজিইডি ও কলকারখানা অধিদপ্তর এর যৌথ ব্যাংক একাউন্টে জমা রাখতে হবে এবং চাকরির মেয়াদ শেষ হলে তাকে এককালিন ওই জমা টাকা ফেরত দিতে হবে। 
কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান অধিদপ্তর থেকে প্রধান প্রকৌশলী মোঃ বেলাল হোসেনের প্রতি কারণ দর্শানোর নোটিশ

অনুসন্ধানে জানা যায়, প্রতিবছর আউটসোর্সিং কর্মীদের বেতন থেকে বছরে এক মাসের বেতনের সমপরিমাণ টাকা কর্তন করা হয়েছে। কিন্তু এ পর্যন্ত কাউকে এই বাবদ একটি টাকাও ফেরত দেয়া হয়নি। বর্তমান সময় পর্যন্ত এই টাকার পরিমাণ প্রায় ৩০ কোটি টাকা হবে। এর সিংহভাগ টাকা প্রধান প্রকৌশলী মোঃ বেলাল হোসেন নিজের পকেটে ভরেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া যায়। কারণ তিনি প্রায় সাড়ে পাঁচ বছর এলকেএসএস এর একক মালিকানায় ছিলেন। সরকারি একজন কর্মকর্তা বেলাল হোসেন তিনি আউটসোর্সিং জনবল নিয়োগের নিয়োগকর্তা তিনিই লাইসেন্সের মালিক আবার তিনিই টেন্ডার বাছাই করেন। তিনি এলকেএসএস হিউম্যান রিসোর্স সেন্টারের এর একক মালিকানা আবার তার অধিনস্থ প্রকল্পে জনবল নিয়োগে তিনিই টেন্ডার বাছাই কমিটির প্রধান। আইন বহির্ভূতভাবে বহাল আছে তার একক মালিকানা। প্রয়োজনীয় যোগ্যতাহীন ফার্মের নামে প্রভাব খাটিয়ে জনবল সরবরাহের কার্যাদেশ দিয়েছেন তিনি। যা প্রায় ৩৫০০ জনকে বিভিন্ন পদে নিয়োগ দিয়েছেন, তবে তা আইন পরিপন্থী। 
শুধু তাই নয়, বর্তমান সময় পর্যন্ত এলজিইডি জনবল সরবরাহের কার্যাদেশ দিয়েই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র বিহীন এলকেএসএস এইচআরসি নামের প্রতিষ্ঠানের নামে। অথচ তাদের প্রতিষ্ঠানের নাম এলকেএসএস হিউম্যান রিসোর্স সেন্টার। নিয়ম আছে ট্রেড লাইসেন্সে প্রতিষ্ঠানের পুরো নামের সাথে সংক্ষিপ্ত নাম উল্লেখ থাকতে হবে। কিন্তু তা না থাকায় এতো দিন যে নামের প্রতিষ্ঠানের নামে কার্যাদেশ দেয়া হয়েছে তা অবৈধ ওই নামে তাদের কোন লাইসেন্স নেই বলে অভিযোগ আছে।
মোঃ বেলাল হোসেন প্রধান প্রকৌশলীর দায়িত্ব গ্রহণের পর সরকারি প্রমোশন বিধির পরিপন্থী শত শত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মোটা অংকের ঘুষ নিয়ে অতিরিক্ত দায়িত্ব ও চলতি দায়িত্ব দিয়ে উপরের পদে বসিয়েছেন। কিছু কর্মকর্তার নিয়োগ প্রশ্নবিদ্ধ অবৈধ মর্মে দেশের শীর্ষস্থানীয় কয়েকটি পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হলে মহামান্য হাইকোর্ট সেটি তদন্তের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে তদন্তের নির্দেশ প্রদান করে। তৎ প্রেক্ষিতে মন্ত্রণালয় পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করে ওই কমিটির অন্যতম সদস্য ছিলেন মোঃ বেলাল হোসেন। তদন্ত কমিটির একাধিক সভায় তাদের নিয়োগ সংক্রান্ত সকল কাগজপত্র পর্যবেক্ষণান্তে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। ওই সব কর্মকর্তার নিয়োগ সঠিকভাবে হয়নি বিধায় তাদের কোন পদোন্নতি দেওয়া যাবে না। ওই তদন্ত প্রতিবেদনে বর্তমান প্রধান প্রকৌশলীর স্বাক্ষর রয়েছে। অথচ বেলাল হোসেন প্রধান প্রকৌশলীর দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই বিতর্কিত ওই সহকারী প্রকৌশলীদের নিকট থেকে ১০ লাখ হারে ঘুষ নিয়ে নির্বাহী প্রকৌশলী চলতি দায়িত্ব দিয়ে পদোন্নতি দেন। সহকারী প্রকৌশলী পদে পদোন্নতি ও পরে প্রধান প্রকৌশলীর দায়িত্ব গ্রহণের পর তাদের নির্বাহী প্রকৌশলী পদে চলতি দায়িত্বে পদোন্নতি দিয়েছেন। বিনিময়ে সহকারী প্রকৌশলীর পদোন্নতির সময় ৫-৭ লাখ টাকা হারে ও পরে নির্বাহী প্রকৌশলী পদোন্নতি দিয়ে গড়ে ১০ লাখ টাকা হারে ঘুষ নিয়েছেন। ইতিমধ্যে চলতি দায়িত্ব পাওয়া ২৫-৩০ জনকে নির্বাহী প্রকৌশলী চলতি দায়িত্ব হিসেবে পোস্টিং দিয়েছেন এবং যে জেলার গুরুত্ব বেশি সেই জেলায় ৩০-৭০ লাখ টাকা হারে ঘুষ নিয়েছেন তিনি। মোঃ বেলাল হোসেন নিজের স্বাক্ষরিত তদন্ত প্রতিবেদনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে ঘুষ বাণিজ্য করে কোটি কোটি টাকা কামিয়েছেন বলেও নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা যায়। 
তিনি তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী প্রশাসন থাকা অবস্থায় ওহাব গ্রুপ নামে খ্যাত ১১ জনকে কোর্টের রায়ের ভুল ব্যাখ্যা তৈরি করে উপ-সহকারী প্রকৌশলী পদে পদোন্নতি দিয়েছেন। সরকারি চাকরি বিধির তোয়াক্কা না করে ওই গ্রুপের কয়েকজন কম্পিউটার অপারেটর ও স্টোর কিপার কেউ পদোন্নতি দিয়েছেন উপ-সহকারী প্রকৌশলী পদে। শুধু তাই নয়, কোর্টের নির্দেশ না থাকা সত্ত্বেও তাদের ২০০৬ সাল থেকে এরিয়ার বিলসহ সকল প্রাপ্য বাবদ সরকারের তহবিল থেকে ছয কোটি টাকা দিয়েছেন, যা সরকারের গচ্চা। তিনি তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী প্রশাসন থাকা অবস্থায় পদোন্নতি ও প্রধান প্রকৌশলীর দায়িত্ব গ্রহণের পর তাদের এরিয়ার বিলের ব্যবস্থা করেন। এক্ষেত্রে তাদের নিকট থেকে মাথাপিছু ১০ লাখ টাকা হারে ঘুষ নিয়েছেন প্রকৌশলী বেলাল।
সম্প্রতি প্রধান প্রকৌশলী মোঃ বেলাল হোসেন ১৩০ জনকে সহকারী প্রকৌশলী পদে পদোন্নতি দিয়েছেন। এর মধ্যেও ওহাব গ্রুপের লোকজন আছে এবং তাদের উপজেলা প্রকৌশলীর অতিরিক্ত দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে। এক্ষেত্রেও ১৩০ জনের নিকট থেকে ৬/৭ লাখ টাকা হারে ঘুষ নেয়া হয়েছে বলে জোড়ালো অভিযোগ আছে এবং তাদের উপজেলা প্রকৌশলীর অতিরিক্ত দায়িত্ব প্রদান করেও পৃথকভাবে ৪/৫ লাখ টাকা হারে ঘুষ নিয়েছেন তিনি। সরকারি পদোন্নতি বিধিতে উল্লেখ আছে শূণ্য পদের ৩০ শতাংশ বিভাগীয় পরীক্ষায় পাশের মাধ্যমে পুরণ করতে হবে আার বাকি ৭০ শতাংশ চঝঈ'র মাধ্যমে পূরণ করতে হবে। কিন্তু ওই বিধির তোয়াক্কা না করে মাত্র ৬০-৬৫টি শূণ্য পদের বিপরীতে প্রায় (১৩০+ ৩০)= ১৬০ জনকে সহকারী প্রকৌশলীর পদে পদোন্নতি পাইয়ে দিয়েছেন প্রকৌশলী বেলাল।
পাশাপাশি সম্প্রতি বেলাল হোসেন সার্ভেয়ার ও কার্যসহকী পদ থেকে উপ-সহকারী প্রকৌশলী পদে পদোন্নতির জন্য বিভাগীয় পরীক্ষা নিয়েছেন। এখানেও ভৌতিক ঘটনা ঘটেছে। প্রায় ৯৫০ জন পরীক্ষার জন্য আবেদন করলেও অংশগ্রহণ করে প্রায় ৮৯০ জন। অবাক করার বিষয় হলো তাদের সকলকেই পরীক্ষায় পাশ করানো হয়েছে। পদোন্নতি বিধিতে উল্লখ আছে শূণ্য পদের ১০ শতাংশ পরীক্ষায় পাশ করা কার্য সহকারী ও সার্ভেয়ার থেকে নিতে হবে। কিন্তু এখানে নতুন বাণিজ্য শুরু করেছেন প্রধান প্রকৌশলী বেলাল হোসেন। সিনিয়রিটি ও পরীক্ষায় পাশের নম্বর ভিত্তিক তালিকা না করে সকলের তথ্য চেয়েছেন এবং তাদের নিকট ৫ লাখ টাকা হারে ঘুষ দাবি করছেন। যারা চাহিদামত টাকা দিবে তাদের পদোন্নতি দেওয়া হবে। এলজিইডি প্রশাসন থেকে জানা যায়, ২০০ জনকে পদোন্নতি দেওয়া হবে। বেলাল হোসেন তার এই এক মাসের মধ্যে ২০০ জনকে উপ-সহকারী প্রকৌশলী পদে পদোন্নতি দিয়ে আরো ১০/১২ কোটি টাকা এবং তাদের পোস্টিং দিয়ে আরো ৪/৫ কোটি টাকা ঘুষ বাণিজ্যের রাস্তা তৈরী করেছেন।
ইতিমধ্যে এলজিইডি’র বিভিন্ন অফিসে কর্মরত কার্যভিত্তিক নিয়োগপ্রাপ্ত ও কেসের রায় পাওয়াদের চাকরি স্থায়ী করার জন্য একটি মিটিং হয়েছে। মিটিং এর মূল আলোচনা ছিল ঘুষের পরিমাণ নিয়ে। চাহিদামতো ঘুষ দিলে তাদের চাকরি স্থায়ী হবে। অন্যদের যেভাবে আছে সেভাবেই থাকবে।
বিভিন্ন মিডিয়ায় প্রধান প্রকৌশলী মোঃ বেলাল হোসেনকে নিয়ে তার অনিয়ম দুর্নীতির তথ্যবহুল খবর প্রকাশিত হয়েছে। তাতে সাবেক সচিব জাহেদীকে ৩০ কোটি টাকা ঘুষ দেওয়াসহ নির্বাহী প্রকৌশলী, সহকারী প্রকৌশলী, উপসহকারী প্রকৌশলীদের পোস্টিং নিয়ে ব্যাপক ঘুষ বাণিজ্যের বিষয়গুলো উল্লেখ করা হয়েছে।
দেশের বৃহত্তম একটি উন্নয়ন সংস্থা এলজিইডি। বর্তমান প্রধান প্রকৌশলীর অব্যবস্থাপণা, অদক্ষতা ও অজ্ঞতার কারণে দপ্তরের কোনো উন্নতি হচ্ছে না। বেলাল হোসেন এলজিইডিকে শুধুমাত্র টাকা কামানোর মেশিন হিসেবে ব্যবহার করছেন। এতে করে স্থবির হয়ে পড়ছে এলজিইডি’র প্রশাসনিক ও উন্নয়নসহ সামগ্রীক কার্যক্রম।
প্রধান প্রকৌশলী মোঃ বেলাল হোসেনের বিরুদ্ধে উল্লেখিত অনিযম ও দুর্নীতির বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত করলে শতভাগ প্রমাণ পাওযা যাবে বলে নির্ভরযোগ্য সুত্রে জানা যায়। 
এই সব অনিয়ম দুর্নীতি ও আউটসোর্সিং ব্যবসার অভিযোগ এর বিষয়ে জানতে এল জিইডি’র প্রধান প্রকৌশলী মোঃ বেলাল হোসেনের মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি ফোন রিসিভ করেন নাই। পরবর্তীতে মোবাইলে খুঁদে বার্তা পাঠালেও তিনি কোন রেসপন্স করেন নাই। যার কারণে তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি (ক্রমশ:)



শেয়ার করুন:
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
যুক্তরাষ্ট্রে বি-৫২ বোমারু বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ৮, তদন্তে বি

যুক্তরাষ্ট্রে বি-৫২ বোমারু বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ৮, তদন্তে বি