ঢাকা | বঙ্গাব্দ

অবৈধ সম্পদের পাহাড়ে গণপূর্ত প্রকৌশলী সাইফুর রহমান!

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Aug 30, 2026 ইং
অবৈধ সম্পদের পাহাড়ে গণপূর্ত প্রকৌশলী সাইফুর রহমান! ছবির ক্যাপশন: অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী সাইফুর রহমানের বিরুদ্ধে অনিয়ম দুর্নীতির মাধ্যমে অর্ধ শতাধিক কোটি টাকার সহায়-সম্পদ অর্জনের অভিযোগ
ad728
বিশেষ প্রতিবেদক: 
মোঃ সাইফূর রহমান। গণপূর্ত অধিদপ্তরের একজন অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী। বর্তমানে আছেন খুলনা জোনের দায়িত্বে। স্বৈরাচার আমলে আওয়ামী সম্পৃক্ততার পাশাপাািশ জিকে শামীম ও গোল্পেন মনিরের নাথে সম্পৃক্ততার অভিযোগ আছে এই প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে। সে সময়ে আজিমপুর গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী বগুড়া গণপূর্ত সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে পোস্টিং বাগিয়ে নিয়ে বেনামী ঠিকাদারী ব্যবসাসহ বিবিধ জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে হাতিয়ে নিয়েছেন সরকারি বরাদ্দের একটি বড় অংশ। এভাবে নামে-বেনামে তিনি বর্তমানে অর্ধশতাধিক কোটি টাকার মালিক। তথ্য সংশ্লিষ্ট নির্ভরযোগ্য সূত্রের।
তিনি সবচেয়ে বেশী অর্থ উপার্জন করেছেন আজিমপুর গণপূর্ত বিভাগে নির্বাহী প্রকৌশলী থাকাকালে। ওই সময় আজিমপুরে ঠিকাদারী সিন্ডিকেট প্রথা চালু করেছেন এই সাইফুর রহমান- যা এখনো বহাল আছে। ১০% পার্সেন্ট ছাড়া তিনি কোন ফাইলে স্বাক্ষর করতেন না বলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ঠিকাদার জানিয়েছেন। ডিভিশনের একজন মহিলা হিসাব সহকারীকে নিয়েও সে সময়ে মুখরোচক আলোচনা চাউর হয়ে উঠে। তবে বিষয়টি নিরপেক্ষ তদন্তের দাবী রাখে।
বাঙালি সংবাদের অনুসন্ধানের প্রাথমিক পর্যায়ে সাইফুর রহমানের ঢাকার মোহাম্মদপুর ও মিরপুরে দুটি বিলাশবহুল বাড়ি, পূর্বাচলে প্লট, টাংগাইলের ঘাটাইলে ডুপ্লেক্স বাড়ি, বাজার রোডে ৩তলা মার্কেট যদিও ভাইয়ের নাম বলে তিনি দাবি করেন, সালাউদ্দিন সেনানিবাস মোড়ে আগে এলপিজি ফিলিং স্টেশন বর্তমানে সেটি ভেঙ্গে সোনারতরী পার্ক, অদুরেই ১ কোটি টাকায় কেনা জমিতে কাঠবাদাম রেস্টুরেন্ট, আমেরিকায় ফ্ল্যাট- যেখানে তার মেয়ে থাকে। সবমিলে অর্ধ শতাধিক কোটি টাকার অঢেল সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে- বিষয়টি নিয়ে অনুসন্ধান চলমান আছে- যা পরবর্তীতে দেশ ও জনস্বার্থে সুদর্শন চেহারার আড়ালে কুৎসিত কর্মকান্ডের বিস্তারিত তুলে ধরা হবে।
শুধু তাই নয়- ২৪ এর ছাত্র আন্দোলনে আ’লীগের পক্ষে থেকে গণহত্যায় অর্থ যোগানের নেপথ্যে তার অবদানের কথাও শোনা যায়। এছাড়া গোল্ডেন মনির ও জিকে শামীমের অর্থায়নে হোটেল রেডিসান ও ওয়েস্টিনে ওই সময়ে বিভিন্ন অসামাজিক কর্মকান্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ আছে। 
বিষযগুলো নিয়ে কথা বলার জন্য তাকে ফোন দিলেও কোন রেসপন্স পাওয়া যায়নি। পরবর্তীতে হোয়াটস্অ্যাপে ম্যাসেজ পাঠালে টাঙ্গাইলের সম্পদগুলো উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া এবং এজমালি সম্পদ বলে জানান। অন্যান্য বিষয়গুলো সত্য নয় বলে গতানুগতিক ভাষায় উত্তর লিখে ম্যাসেজ করেন। (ক্রমশঃ)



শেয়ার করুন:
কমেন্ট বক্স