নিজস্ব প্রতিবেদক॥ বিআরটিএ’র ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ে চলছে ঘুষের সালতানাত। ঘুষ বাণিজ্যের নায়ক হচ্ছেন একজন অফিস সহায়ক। নাম সুলতান। ঊর্দ্ধতনদের যোগসাজশে এ কার্যালয়ের রুট পারমিট শাখায় চলছে ঘুষ বাণিজ্যের সুলতানি শাসন। তথ্য সংশ্লিস্ট নির্বরযোগ্য সূত্রের।
অনুসন্ধানে জানা যায়, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ে অধিনস্থ বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (বিআরটিএ) এর সাবেক চেয়ারম্যান মো: মশিউর রহমান এর কেয়ারটেকার পিয়ন সুলতান এর রমরমা মুষ বাণিজ্য এখন ওপেন সিক্রেট। এই দপ্তরের অফিস সহায়ক সুলতান তার নির্দিষ্ট দালাল সিন্ডিকেটের মাধ্যমে সেবাগ্রহীতাদের জিম্মি করে ভুলভাল বুঝিয়ে প্রতিদিন হাতিয়ে নিচ্ছেন লাখ লাখ টাকা ঘুষ। ঘুষ দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে গ্রাহকদের ভোগান্তির মাত্রা আরো বেড়ে যায়। ঘুষ দিলে সব ঠিক, আর না দিলে বেঠিক।
সূত্রমতে আরও জানা যায়, বিকাল চারটার পরে তার নিজস্ব অফিস রুমে বসে, তার নিজস্ব নলাল নিযুক্ত সদস্যদের আড্ডাখানা ও ঘুষ লেনদেনের মহোৎসবে মতেন সুলতান। দূর দূরান্ত থেকে আগত সেবাগ্রহীতাদের জিম্মি করে ভুলভাল বুঝিয়ে প্রতি গাড়ির রুটপারমিট কাগজ কমপ্লিট বাবদ যুষ গ্রহণ করেন অতিরিক্ত হাজার হাজার টাকা। ঘুষ দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে আইনের মারপ্যাচে ফেলে মাসের পর মাস ঘুরানো হয় গাড়ি মালিকদের।
সাবেক বিআরটি এ চেয়ারম্যান মো: মশিয়ার রহমান এর আত্মীয় ও আওয়ামী দোসর সুলতান এখন দুর্নীতির শীর্ষে। রাজধানীতে তার নামে বেনামে রয়েছে একাধিক ফ্ল্যাট, রয়েছে অবৈধ টাকায় গড়া নামী দামি বাড়ি ও গাড়ি। এইসব কিছুর মূলে আছে কালোটাকা ও অবৈধ পেশিশক্তির প্রভাব বিস্তার।
সুত্রমতে জনতে পারলাম বিআরটি এ কতিপয় দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তার ঘুস লেনদেনের কাসিয়ার হিসেবে লয়িত্ব পালন করে আসছে সুলতান। আর সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে তিনি তদবির ও বদলি বাণিজ্য করে কামিয়েছেন কয়েক কোটি টাকা। (ত্রমশঃ)