ঢাকা | বঙ্গাব্দ

কৃষক-শ্রমিকের ভাগ্য পরিবর্তন করতে পারলেই দেশের ভাগ্য পরিবর্তন হবে: প্রধানমন্ত্রী

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : May 1, 2026 ইং
কৃষক-শ্রমিকের ভাগ্য পরিবর্তন করতে পারলেই দেশের ভাগ্য পরিবর্তন হবে: প্রধানমন্ত্রী ছবির ক্যাপশন:
ad728
নিজস্ব প্রতিবেদক

চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ শুক্রবার বিকেলে নয়াপল্টনে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষ্যে বিএনপির শ্রমিক সমাবেশে যোগ দিয়ে বললেন, “কৃষক, শ্রমিকদের ভাগ্য পরিবর্তন করতে পারলে বাংলাদেশের ভাগ্য পরিবর্তন হয়ে যাবে।”

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, স্বৈরাচাররা শ্রমিকদের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছিল। ফ্যাসিবাদী শাসনামলে প্রতিটি শ্রেণী পেশার মানুষকে অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়েছিল। ফ্যাসিবাদী শাসনামলে অর্থনীতিকে লুটপাটের মহোৎসবে পরিণত করা হয়েছিল।  তারেক রহমান বলেন, “অধিকাংশ মানুষ গ্রামে বাস করে। তারা সঠিক সময়ে সঠিকভাবে পানি পায় না। সেজন্য আমরা খাল খনন শুরু করেছি। কৃষক, শ্রমিকদের ভাগ্য পরিবর্তন করতে পারলে বাংলাদেশের ভাগ্য পরিবর্তন হয়ে যাবে।” তিনি জানান, “শ্রমিকদের স্ত্রীরা ফ্যামিলি কার্ড পাবেন। কৃষকদের আমরা ১০ হাজার ঋণ মওকুফ করেছি। কৃষকদের কার্ডের বিষয়েও কাজ চলছে।” তিনি বলেন, শুধু হকার উচ্ছেদ করলে হবে না, তাদের কর্মসংস্থান তৈরি করতে হবে। খেটে খাওয়া মানুষ ভালো থাকলে বাংলাদেশ ভালো থাকবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এ দেশের প্রত্যেকটি মানুষের অধিকার থেকে বঞ্চিত করেছিল বিগত স্বৈরাচার সরকার। দেশের অর্থনীতিকে আমদানিনির্ভর করেছিল স্বৈরাচার সরকার। স্বাস্থ্য, শিক্ষা থেকে শুরু করে দেশের প্রত্যেকটি সেক্টরকে ধ্বংস করেছিলো স্বৈরাচার। এর ফলেই ২৪ এ সব মানুষ একত্রে স্বৈরাচারকে বিদায় করেছে।’ তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ যখনই গণতন্ত্রের পথে যাত্রা শুরু করেছে, কিছু মহলের সেটি পছন্দ নয়। সেই সব মানুষ, তারা চায় না দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন হোক, পৃথিবীর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে দেশ এগিয়ে যাক, তারা সেটি চান না। অতীতের মতো তারা আবার ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। তারা চেষ্টা করছে এখন বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশকে বিতর্কিত করা, বন্ধুহীন করার।’ তিনি আরও বলেন, ‘যারা দেশকে বিতর্কিত করতে চায়, যারা দেশে অরাজকতা করতে চায়, তাদের ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে। ষড়যন্ত্র প্রতিহত করে এসব ষড়যন্ত্রকারীদের স্বৈরাচারের মতো জবাব দিতে হবে।’ সরকারপ্রধান বলেন, ‘শ্রমিকদের পাশাপাশি যারা এখনও বেকার তাদের কর্মসংস্থান তৈরি করতে বিদেশি বিনিয়োগ বাড়ানোর পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার। এছাড়া শ্রমিক ও বেকারদের জন্য দেশের পাশাপাশি বিদেশেও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে। বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে আলোচনা চলমান রয়েছে।’

তারেক রহমান বলেন, অতীতে স্বৈরাচারের সময়ে এই নয়াপল্টনে সমাবেশ করতে গেলে আতঙ্কে থাকতে হতো। কখন সরকারের লোকজন হামলা করবে, সেই দুশ্চিন্তা কাজ করত। তবে বর্তমান সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার। কলকারখানা সচল করার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর আমরা বন্ধ কলকারখানার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনায় বসেছি। বিগত সময়ে যেসব কলকারখানা বন্ধ হয়েছে, সেগুলো পুনরায় চালু করার চেষ্টা চলছে। তবে শুধু বন্ধ কারখানা চালু করলেই সব সমস্যার সমাধান হবে না। দেশে লাখ লাখ বেকার শ্রমিক রয়েছে। তাঁদের জন্য দেশে ও বিদেশে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে আমরা বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি। সমাবেশে শ্রমিক নেতারাসহ বিএনপির কেন্দ্রীয় ও অঙ্গসংগঠনের শীর্ষস্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি ও উন্নত কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানান। 




শেয়ার করুন:
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
ফাামিলি কার্ডের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী, পাচ্ছেন সাড়ে ৩৭

ফাামিলি কার্ডের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী, পাচ্ছেন সাড়ে ৩৭