বাংলাদেশ ফাইন্যানশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) এক প্রতিবেদনের ভিত্তিতে বিচারপতি মুজিবুর রহমান মিয়ার নেতৃত্বাধীন হাইকোর্টের একটি ডিভিশন বেঞ্চ এই আদেশ দেন। শনিবার আদালত-সংশ্লিষ্ট সূত্র গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, জেএমসি বিল্ডার্সের প্রতিনিধি হিসেবে সাহাবুদ্দিন চুপ্পু জালিয়াতির মাধ্যমে ইসলামী ব্যাংকের শেয়ার কেনার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। প্রতিষ্ঠানটি বিতর্কিত ব্যবসায়ী এস আলমের মালিকানাধীন হলেও শেয়ারের প্রকৃত সুবিধাভোগী ছিলেন চুপ্পু। তদন্তে আরও জানা যায়, শেয়ার কেনার অর্থ জোগাড় করা হয় ইসলামি ধারার আরেক ব্যাংক ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক থেকে, যেটিও এস আলমের নিয়ন্ত্রণে ছিল। জেএমসি বিল্ডার্সের প্রতিনিধি পরিচয়ে সাহাবুদ্দিন চুপ্পু ইসলামী ব্যাংকের পরিচালক ও পরবর্তীতে ভাইস চেয়ারম্যান পদে দায়িত্ব পালন করেন। ওই সময় ব্যাংকটি থেকে বিপুল অর্থ লুটপাটের অভিযোগও উঠে আসে।
বিএফআইইউ’র অনুসন্ধানে এসব অনিয়ম ও জালিয়াতির তথ্য উঠে আসার পর সাহাবুদ্দিন চুপ্পুসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হাইকোর্ট দুদককে নির্দেশ দিয়েছেন।
এর আগে, ইসলামী ব্যাংকের শেয়ার জালিয়াতির অভিযোগে ২০২৫ সালে দায়ের করা মামলাটিও তদন্তের জন্য দুদককে নির্দেশ দিয়েছিল ঢাকার একটি আদালত।