ঢাকা | বঙ্গাব্দ

৬ষ্ঠ পর্বঃ তামজীদের সর্বগ্রাসী লুটপাটে বিধ্বস্ত গণপূর্ত ই/এম-৫

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Jul 23, 2026 ইং
৬ষ্ঠ পর্বঃ তামজীদের সর্বগ্রাসী লুটপাটে বিধ্বস্ত গণপূর্ত ই/এম-৫ ছবির ক্যাপশন: বেনামী ঠিকাদারীর অভিযোগ॥ বহিরাগত দিয়ে ইএম-৫ এর ইজিপি ও আইবাস আইডি’র নিয়ন্ত্রণ!
ad728
জয়নাল আবেদীন যশোরী ও আসাদ মাহমুদ:
 গণপূর্ত ই/এম বিভাগ-৫ এর ইজিপি ও আইবাস আইডি নিয়ন্ত্রণ করছে একজন বহিরাগত। নির্বাহী প্রকৌশলীর এই আইডি ব্যবহার করে টেন্ডার নিয়ন্ত্রণ ও বিল-ভাউচার এন্ট্রি দিয়ে চেক পাশ করানোর অভিযোগ করেছেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কতিপয় শোষিত বঞ্চিত ঠিকাদার। এভাবে গত দুই অর্থবছরে ডিভিশনটির আইবাস ও ইজিপি আইডি বহিরাগত দিয়ে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে ডিভিশটির নির্বাহী প্রকৌশলী কয়েক কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন উন্নয়ন মেরামত রক্ষণাবেক্ষণ কাজগুলো বাস্তাবায়নের ক্ষেত্রে নিজস্ব প্রভাশালী সিন্ডিকেট তৈরী করে। তথ্য সংশ্লিষ্ট নির্ভরযোগ্য সূত্রের। 
এক অভিযোগে জানা যায়, ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে ১২৮৪৭৮১ নং টেন্ডার আইডি ব্যবহার করে ৪কোটি ২৪লক্ষ ৪০হাজার ৭শ’৮৬ দশমিক তিন দুই পাঁট টাকা চুক্তিমূল্যে  ঢাকা ট্রান্সপোর্ট কো-অর্ডিনেশন অথরিটি (DTCA) ভবনের বিদ্যমান মিলনায়তনের অভ্যন্তরীণ সাজসজ্জার কাজের সাথে সামঞ্জস্য রেখে বৈদ্যুতিক তারের সংযোগ, লাইট ফিটিংস, স্টেজ লাইট, সাউন্ড সিস্টেম ও এলইডি (LED) ডিসপ্লে স্থাপন এবং আনুষঙ্গিক বৈদ্যুতিক কাজটি মেসার্স শুভ্রা ট্রেডার্স নামক ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে পাইয়ে দেওয়া হয়। তবে ২১ জুন ২০২৬ইং কাজটির চুক্তি স্বাক্ষর এবং ৩০ জুন ২০২৬ইং তারিখে সমাপ্তের তারিখ দেখানো হয়েছে। এতো সংক্ষিপ্ত সময়ে কাজের গুণগত মান ঠিক রেখে সিডিউল অনুযায়ী কাজটি কী-ভাবে সম্পন্ন করা হয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে সংশ্লিষ্ট মহল। তবে নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে অর্থবছরের শেষে এসে তরিঘড়ি করে কাজ বাস্তবায়নের নামে বরাদ্দ খরচ দেখিয়ে মোটা অংকের টাকা লুটপাট ও ভাগ-বাটোয়ারা করার সুবিধার্থে এ ধরণের কার্যাদেশ দেখিয়েছেন নির্বাহী প্রকৌশলী তামজীদ আহমেদ। একই অর্থবছরে টেন্ডার আইডি নং ১২৯৬৭৫৯। ৫৭লক্ষ ১২হাজার ৮শ’ ৮ দশমিক আট ছয় শুণ্য টাকা চুক্তিমূল্যে ঢাকার আঞ্চলিক জনপ্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের ১ নম্বর পুরোনো ভবনের দ্বিতীয় তলায় অবস্থিত শ্রেণিকক্ষ, ল্যাঙ্গুয়েজ ল্যাব ও অন্যান্য কক্ষের অভ্যন্তরীণ বৈদ্যুতিক সংস্কার, ইন্টারঅ্যাক্টিভ বোর্ড, এলইডি টিভি ও সাউন্ড সিস্টেম স্থাপন এবং সংশ্লিষ্ট বৈদ্যুতিক কাজটি এমএইচ কনসালট্যান্ট অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ার্স নামক ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে পাইয়ে দেওযা হয়। একইভাবে টেন্ডার আইডি নং ১২৮৬৫৮৭ এর মাধ্যমে  ১৫লক্ষ ৩২হাজার ৯শ’ ১১টাকা চুক্তিমূল্যে ঢাকার তেজগাঁওয়ে অবস্থিত ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের ‘ল্যান্ড বিল্ডিং’-এর বেসমেন্টে পাম্প মোটর সরবরাহ ও স্থাপন, সার্ভার রুমে ক্যামেরা স্থাপন, অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র রিফিল করা, ল্যান্ড আপিল বোর্ডের এজলাস কক্ষ ও চেম্বারের এসি (AC) মেরামত এবং ভবনের অন্যান্য অকেজো এসির সার্কিট পরিবর্তন ও মেরামত ছাড়াও নবনির্মিত ২টি গার্ড রুম ও ২টি ওয়েটিং রুমের ওয়্যারিং লাইট ফিটিংস এবং অন্যান্য বৈদ্যুতিক কাজগুলো নিয়ে ব্যাপক অনিয়ম দুর্নীতি আর নি¤œমাণের কাজ করানো নিয়ে অভিযোগ করেছেন প্রত্যাশী সংস্থাগুলোর অধিকাংশ কর্মকর্তা-কর্মচারী। একইভাবে তেজগাঁওয়ে ১২৩ এপার্টমেন্ট নির্মাণ প্রকল্পে সাবস্টেশন এসি লিফট ও অন্যান্য ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কাজের টেন্ডার প্রকৌশলী তামজীদ নিজস্ব কতিপয় ঠিকাদরকে পাইয়ে দিয়েছেন।
২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে আন্তজার্তিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে কয়েক কোটি টাকা ব্যয়ে অসংখ্য কাজের বাস্তবায়ন দেখিয়েছেন এই নব্য লুটেরা লম্পট হিসেবে পরিচিত প্রকৌশলী। একই কাজকে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে বিভিন্ন শিরোনামে বাস্তাবয়ন দেখিয়ে কাজ না করে প্রায় কোটি টাকা লোপাটের তথধ্য প্রমাণাদি পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে যাচাই-বাছাই সাপেক্ষে একটি তথ্যবহুল অনুসন্ধানী প্রতিবেদন থাকছে পরবর্তীতে।    
অনুসন্ধানে আরো জানা যায়, ডিভিশনটির নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ তামজীদ হোসেন নিজেই প্রকৌশলী আবার নিজেই ঠিকাদার। ঠিকাদারী ব্যবসা একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণের জন্য এই প্রকৌশলী নিজের সাথে সাথে চট্টগ্রাম থেকে বদলী করিয়ে নিয়ে এসেছেন ভাউচারের কর্মচারী মিঠু ও তাঁর বিজনেস পার্টনার কথিত ঠিকাদার দেলোয়ার হোসেন ভুট্টোকে। নির্বাহী প্রকৌশলীর ইজিপি ও আইবাস আইডির পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে কম্পিউটার অপারেটরের দায়িত্বে নিয়োজিত মিঠু অফিসে বসে টেন্ডার কন্ট্রোল ওয়ার্কঅর্ডার আপলোড বিল এন্ট্রির মতো যাবতীয় গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো ইচ্ছেমতো নিয়ন্ত্রণ করে নির্বাহী প্রকৌশলীর বেপরোয়া লুটপাটে সহযোগীতা করে নিজেকে ধন্য মনে করছে। ডিভিশনের আর্থিক বিষয়াদি নিয়ন্ত্রণের কাজে ব্যবহৃত আইবাস আইডিটি থাকার কথা হিসাব সেকশনের বিভাগীয় হিসাবরক্ষক ও ক্যাশিয়ারের কাছে। কিন্তু নির্বাহী প্রকৌশলী তাদেরকে বসিয়ে আর্থিক বিষয়টি পুরোপুরি নিজের নিয়ন্ত্রনে রাখার জন্য আইডটসোর্সিংয়ের কর্মচারী মিঠুকে দিয়ে কাজ করিয়ে নিচ্ছেন। এই মিঠু নির্বাহী প্রকৌশলীর ক্যাডার হিসাবে গণপূর্ত অধিদপ্তরে পরিচিত। প্রকৌশলী তামজীদ চট্টগ্রামে থাকতে একইভাবে কাজে লাগিয়েছেন মিঠুকে। সে সুবাদে ঢাকায় আসার সাথে সাথে প্রকৌশলী তামজীদ তাকে সাথে নিয়ে এসেছেন।  
প্রকৌশলী তামজীদ নিজেই ঠিকাদার: প্রকৌশলী তামজীদের নামের পূর্বে সৈয়দ থাকলেও কাজে-কর্মে পুেেরাপুরি উল্টো। সরকারি বরাদ্দে সুষ্ঠু ব্যবহার কল্পে ‘সৈয়্যেদানা’ বা মুন্সিয়ানা দেখানোর পরিবর্তে তিনি লুটেরা বর্গির ভূমিকার নিজেকে পুরোপুরি ন্যাস্ত করেছেন। তিনি ডিভিশনটির আয়ন-ব্যয়ন কর্মকর্তা হওয়া সত্ত্বেও লুটপাটের নেশায় নিজেই নেমেছেন ঠিকাদারী ব্যবসায়। এজন্য নিজের সাহায্যকারি (গেটিস) হিসেবে চট্টগ্রাম থেকে হায়ার করে এনেছেন কথিত ঠিকাদার দেলোয়ার হোসেন ভুট্টোকে। ভূট্টো বিভিন্ন ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের নামে ডিভিশনের লাভজনক কাজগুলো প্রকৌশলী তামজীদের সহায়তায় বাস্তবায়ন করে আসছে। কোন ঠিকাদারের কাজে এসি লিফট সাবস্টেশন বা বৈদ্যুতিক মালামাল লাগলে তা নির্বাহী প্রকৌশলীর হুকুম তামিলকারী ভুট্ট্রোর নির্দেশিত বা প্রেসক্রাইব করা দোকান বা কোম্পানী থেকে ঠিকাদারকে কিনতে বাধ্য করা হয়। ঠিকাদার বেশী দামে মালামাল কিনলেও মোটা অংকের কমিশন চলে যায় নির্বাহী প্রকৌশলীর পকেটে। সাধারণ ঠিকাদারদের বেশীরভাগ বিল বকেয়া থাকলেও ভুট্টোর কোন বিল বকেয়া নেই। এই ভুট্টো ও তার সিন্ডিকেটের লোকদের প্রায় সাড়ে ৪কোটি টাকার বিল নির্বাহী প্রকৌশলী সদ্য সমাপ্ত ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের প্রথম টার্মে পরিশোধ করেছেন বলে জানা গেছে। এর ফলে বেশীরভাগ ঠিকাদার কাজ করেও বিল না পেয়ে কায়ক্লেশে দিনাতিপাত করছে। এই লুটেরা দুর্নীতিবাজ প্রকৌশলী ডিভিশনটিতে এসে নিজের সিন্ডিকেটের ঠিকাদার দিয়ে এতো পরিমাণ কাজ করিয়েছেন যে, গত অর্থবছরের কাজগুলো এই অর্থবছরের এপিপিতে (বার্ষিক ক্রয় পরিকল্পনা) ঢুকাতে বাধ্য হয়েছে। গত ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরের প্রায় ৫ কোটি টাকার কাজ ২০২৫-২০২৬ এর এপিপিতে তালিকাভূক্ত করা হয়েছে বলে নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়। ২০২৬-২৭ অর্থবছরে পূর্ববর্তী বছরের প্রায় ৬কোটি টাকা ঢুকানোর ব্যবস্থা পাকাপোক্ত করেছেন দুর্নীতিবাজ নির্বাহী প্রকৌশলী তামজীদ।   
লুটপাটের সিন্ডিকেট: ডিভিশনটিতে লুটপাটের নেতৃত্বে আছেন নির্বাহী প্রকৌশলী তামজীদ হোসেন। আরো আছেন এই প্রকৌশলীর নিজস্ব লোক বা সাহায্যকারী গেটিস হিসাবে পরিচিত ভাউচার কর্মচারী মিঠু ও কথিত ঠিকাদার দেলোয়ার হোসেন ভুট্টো। নির্বাহী প্রকৌশলীর কথায় কথায় জি স্যার! বলা উপবিভাগীয় প্রকৌশলী (এসডিই) রাজিয়া সূলতানা। নির্বাহী প্রকৌশলীর প্রশ্রয়ে এই উপবিভাগীয় প্রকৌশলী সাবডিভিশনটিকে নিজের ঘুষ বাণিজ্য আর লুটপাটের সালতানাত মনে করছেন। অভিযুক্ত এই এসডিইকে নিয়ে বহু বিতর্ক চাউর হয়ে উঠেছে গণপূর্ত ঠিকাদার ও প্রকৌশলী মহলে। আরেক এসডিই সবুজ কুমার স্যানালও নির্বাহী প্রকৌশলীর কথার নড়চর করেন না। ঠিকাদারদের সাথে যাবতীয় অবৈধ লেনদেন এই দুই এসডিই করে থাকেন নির্বাহী প্রকৌশলীর হয়ে। তবে এগিয়ে আছেন এসডিই রাজিয়া সুলতানা। তার অবৈধ চাহিদা ও পার্সেন্টেজ বাণিজ্যের কাছে অসহায় হয়ে উঠেছেন সাধারণ ঠিকাদারগণ।
দুদক ও সাংবাদিক ম্যানেজের নামে চাঁদাবাজি: নিজের চুরিডিকশনে আওতায় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও এনএসআই অফিস পড়ার কারণে তিনি নিজেকে সর্বসেবা মনে করেন। সহকর্মী প্রকৌশলীদের ভয় দেখিয়ে বা উখাপিত অভিযোগ/মামলা নিস্পতি করানোর আশ^াস দিয়েও কোটি টাকা চাঁদাবাজির অভিযোগ রয়েছে প্রকৌশলী তামজীদের বিরুদ্ধে। একইভাবে সাংবাদিক ম্যানেজ করার কথা বলেও লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়ার তথ্য প্রমাণাদি পাওয়া গেছে। প্রকৌশলী তামজীদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি জাল-জালিয়াতির অভিযোগগুলো ধামাচাঁপা দেয়ার বা ম্যানেজ করার কথা বলে গত মে মাসের প্রথম সপ্তাহে একটি স্যাটেলাইট টিভি’র সাংবাদিক পরিচয়ে ‘ব’ ও ‘জ’ অদ্যক্ষরের দুই সাংবাদিক ১০ লক্ষ টাকা নেয় প্রকৌশলী তামজীদের কাছ থেকে। এই ধরণের অভিযোগ করেছেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কতিপয় ঠিকাদার।       
স্বৈরাচার পলাতক ঠিকাদারদের বিল পরিশোধ: ১৫% ক্ষেত্রবিশেষ ২০% নগদ উৎকোচ নিয়ে পলাতক ছাত্রলীগ য়ুবলীগ ঠিকাদারদের বকেয়া কয়েক কোটি টাকার বিল পরিশোধ করেছেন এই প্রকৌশলী। এখাতে তিনি হাতিয়ে নিয়েছেন প্রায় কোটি টাকা। এ নিয়ে বিস্তারিত অনুসন্ধান অব্যাহত আছে। 
নির্বাহী প্রকৌশলীর পছন্দের ঠিকাদার: প্রকৌশলী তামজিদ একচেটিয়া কাজ পাইয়ে দিচ্ছেন নিজের পছন্দের ঠিকাদারদের। তার অতি পছন্দের এরকম কয়েকটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান হচ্ছে- মেসার্স একটিভ ইন্টারন্যাশনাল, আতিফ ট্রেডার্স, নাসিম এন্ড কোম্পানী এবং এমএস শুভ্রা ট্রেডার্সসহ এরকম আরো দুই/একটি প্রতিষ্ঠান। ঘুরেফিরে এই প্রতিষ্ঠানগুলোই ডিভিশনের প্রায় ৮০% কাজের বাস্তাবয়ন করে আসছে।
অনুসন্ধানে আরো জানা যায়, স্বৈরাচার লীগ সরকারের সময়ে চট্টগ্রামে থাকতে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমনে পৈশাচিক কায়দায় উস্কানী প্রদান ও অর্থ যোগানদাতা হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেছিল তিনি। আওয়ামী/ছাত্রলীগ ক্যাডার পরিচয়ে বিগত সরকারের শাসনামলে বিশেষ সুবিধা গ্রহণ, নিজস্ব ঠিকাদারদের সমন্বয়ে সিন্ডিকেট গঠন, কাজ না করে ভূয়া বিল ভাউচার করে বিল উত্তোলন, বহিরাগত লোক দিয়ে অফিসে কাজ করানো, অনিয়ম দুর্নীতির মাধ্যমে অঢেল সম্পদ অর্জনসহ নানা অভিযোগ উঠে সে সময়ে  গণপূর্ত অধিদপ্তরে প্রকৌশলী তামজীদ হোসেনের বিরুদ্ধে। লাগাতার দুর্নীতির অভিযোগ থাকলেও আইনকে থোরাই কেয়ার করে রয়েছেন বহালতবিয়তে। 



শেয়ার করুন:
কমেন্ট বক্স
একুশে ফেব্রুয়ারি ঘিরে সারাদেশে কঠোর নিরাপত্তার ব্যবস্থা

একুশে ফেব্রুয়ারি ঘিরে সারাদেশে কঠোর নিরাপত্তার ব্যবস্থা