ঢাকা | বঙ্গাব্দ

২০৩০ সালের মধ্যে মালয়েশিয়াকে ছাড়াবে বাংলাদেশের অর্থনীতি!

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Aug 29, 2026 ইং
২০৩০ সালের মধ্যে মালয়েশিয়াকে ছাড়াবে বাংলাদেশের অর্থনীতি! ছবির ক্যাপশন: ছবি: সংগৃহীত
ad728
বিশেষ প্রতিবেদক:
 ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশের অর্থনীতির আকার ৬৭৭ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। একই সময়ে জিডিপির আকারে মালয়েশিয়া, ভিয়েতনাম ও থাইল্যান্ডের মতো দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোকেও ছাড়িয়ে যেতে পারে বাংলাদেশ।
কানাডাভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ভিজ্যুয়াল ক্যাপিটালিস্টের ‘দ্য ১৫০ ট্রিলিয়ন ডলার গ্লোবাল ইকোনমি ইন ২০৩০’ শীর্ষক প্রতিবেদনে আইএমএফের ‘ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুক’-এর পূর্বাভাসের ভিত্তিতে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী চার বছরে বিশ্ব অর্থনীতির আকার উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে। ২০৩০ সালের মধ্যে বৈশ্বিক অর্থনীতি ১৫০ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে। এ প্রবৃদ্ধির বড় অংশ আসবে এশিয়ার উদীয়মান অর্থনীতিগুলো থেকে।
আইএমএফের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০৩০ সালেও বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থনীতি থাকবে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির নামমাত্র জিডিপি ৩৭ দশমিক ৭ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকবে চীন, যার অর্থনীতির আকার হতে পারে ২৬ ট্রিলিয়ন ডলার। তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি হবে জার্মানি। দেশটির সম্ভাব্য জিডিপি ধরা হয়েছে ৬ দশমিক ১৭৮ ট্রিলিয়ন ডলার। তবে জার্মানির খুব কাছাকাছি অবস্থানে থাকবে ভারত। ২০৩০ সালে ভারতের সম্ভাব্য জিডিপি হতে পারে ৬ দশমিক ১৭৩ ট্রিলিয়ন ডলার। দুই দেশের ব্যবধান থাকবে মাত্র ৫ বিলিয়ন ডলার।
বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, বর্তমান প্রবৃদ্ধির ধারা অব্যাহত থাকলে নামমাত্র জিডিপির হিসাবে ভারত জার্মানিকে ছাড়িয়ে যেতে পারে। যদিও ক্রয়ক্ষমতার সমতা (পিপিপি) অনুযায়ী ভারত ইতোমধ্যে জার্মানির চেয়ে বড় অর্থনীতি।
এশিয়ার অর্থনৈতিক শক্তি বাড়বে
আইএমএফের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের সম্মিলিত অর্থনীতির আকার ৫৫ দশমিক ৭ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে, যা হবে বৈশ্বিক অর্থনীতির এক-তৃতীয়াংশের বেশি।
চীন ও ভারতের পর এশিয়ার তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি হবে জাপান। দেশটির জিডিপি ৫ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে। এরপর থাকবে দক্ষিণ কোরিয়া ও ইন্দোনেশিয়া। দেশ দুটির সম্ভাব্য অর্থনীতির আকার যথাক্রমে ২ দশমিক ৩ ট্রিলিয়ন ও ২ দশমিক ১ ট্রিলিয়ন ডলার হতে পারে।
একসময় বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি ছিল জাপান। তবে দীর্ঘদিনের ধীর প্রবৃদ্ধির কারণে ২০১০ সালে চীনের কাছে এবং ২০২৪ সালে জার্মানির কাছে অবস্থান হারায় দেশটি।
ইউরোপের অর্থনীতিতে থাকবে ভারসাম্য

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০৩০ সালে ইউরোপের সম্মিলিত অর্থনীতির আকার প্রায় ৩৭ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে। বৈশ্বিক অর্থনীতির প্রায় এক-পঞ্চমাংশ থাকবে ইউরোপের দখলে।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সদস্য দেশগুলোর সম্মিলিত জিডিপি হতে পারে ২৬ দশমিক ৫ ট্রিলিয়ন ডলার। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় অর্থনীতি হবে জার্মানি। এরপর থাকবে ফ্রান্স ও ইতালি।
ইইউর বাইরে ইউরোপের বড় অর্থনীতি হিসেবে থাকবে যুক্তরাজ্য। ২০৩০ সালে দেশটির জিডিপি ৫ দশমিক ১ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে। অন্যদিকে রাশিয়ার অর্থনীতির আকার হতে পারে ২ দশমিক ৬ ট্রিলিয়ন ডলার।
তবে ২০২৬ থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে রাশিয়ার অর্থনীতি সংকুচিত হতে পারে বলেও পূর্বাভাস দিয়েছে আইএমএফ। বড় অর্থনীতিগুলোর মধ্যে রাশিয়া হবে এমন কয়েকটি দেশের একটি, যাদের অর্থনীতি ওই সময়ে নেতিবাচক প্রবৃদ্ধির মুখে পড়তে পারে।




শেয়ার করুন:
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
ট্রাম্পের ‘একতরফা শুল্ক’ অবৈধ: মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের রায়

ট্রাম্পের ‘একতরফা শুল্ক’ অবৈধ: মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের রায়