জয়নাল আবেদীন যশোরী ও জামাল হোসেন:
গণপূর্ত অধিদপ্তরের মাফিয়াখ্যাত ফ্যাসিস্ট হাসিনার দোসর হিসেবে পরিচিত প্রকৌশলী মো. ইলিয়াস আহমেদের লুটপাটের কবলে পড়েছে সিলেট গণপূর্ত সার্কেল। সার্কেলের অধীন সিলেট সুনামগঞ্জ গণপূর্ত বিভাগের প্রায় হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন কাজে নিজের আপন ভাই রানাকে দিয়ে ঠিকাদারী ব্যবসা করানোসহ বহুমূখী অনিয়ম দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়ছেন এই গণপূর্ত তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী। স্বৈরাচার শেখ হাসিনা ডিসেম্বরে দেশে ফেরার কর্মসূচীতে ছাত্রলীগের মাধ্যমে অর্থায়ন করাসহ ইতোপূর্বে তার বিরুদ্ধে সচিবালয়ে আন্দোলনেও অর্থ যোগান দেয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। তিনি প্রতি সপ্তাহে রোববার বিমানে করে সিলেট যেয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরের পরেই আবার বিমানে করে ঢাকায় ফিরে আসেন। তথ্য সংশ্লিষ্ট নির্ভরযোগ্য সূত্রের।
তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, ২০২৪-২০২৫ ও ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলীর প্রজ্ঞাপণ অমান্য করে তিনি এলটিএম পদ্ধতির পরিবর্তে ওটিএম পদ্ধতিতে দরপত্র আহ্বাান ও টেক অনুমোদন দিয়ে নিজ ভাই রানাসহ সিন্ডিকেটভূক্ত পছন্দের ঠিকাদারদের অসংখ্য কাজ পাইয়ে দিয়েছেন। সে ধারা বর্তমানেও অব্যাহত আছে। টেন্ডার বাণিজ্যের এ মহোৎসব থেকে অর্জিত অর্থের একটি অংশ ছাত্রলীগ ক্যাডার/নেতাদের মধ্যে বিতরণ করে ডিসেম্বরে স্বৈরাচার প্রধান দেশে ফিরে আসার কর্মসূচীকে বেগমান করাসহ ইতোপূর্বে বাংলাদেশ সচিবালয়সহ বিভিন্ন স্থানে সরকারি বিরোধী তান্ডব চালানো হয়েছে বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত দুই অর্থবছরে বার্ষিক মেরামত কর্মসূচীর কাজে প্রজ্ঞাপণ অমান্য করে শতাধিক টেন্ডার আইডি’র মধ্যে উল্লেখযোগ্য কতিপয় আইডি হচ্ছে- সিলেট গণপূর্ত বিভাগের- ১০৯৯১০৪, ১০৮৭৩৪৩, ১০৫৫৫৯৮, ১০৩৮৬৬৫, ১০৩৮২৯৮, ১০৩৭৪৭৯, ১০২৯৯৯০, ১০২৯১৬৭, ১০২৮০৮৫, ১০২৭৬৯৯, ১০২৭৫৮৯, ১০২৫৩২২, ১০১৩০৭৬, ১০১১৬৬৩, ১০৫৬৬৮৬, ১০৫৭২২৩, ১০৭৩০০৮, ১১২৩৫২৩, ১১২৪৭৬৮, ১১২৪০১১, ১১২৭৬৭৯, ১১৩৬৬৮৮, ১১৩৯৭৭৮, ১১৩৯৩২৮, ১১৪৪৩২৭, ১১৪৪৩২৮, ১১৩৬৫৭৫, ১১৮২৬৩৪, ১২০২৬০০, ১২০০২০৯, ১২৪২৬৮৫, ১২২৪৫৫৩, ১২৫৫৮১৪. ১২৫৪৮৮৭, ১২৫৪২৭৭, ১২৮১৭৪১, ১২৮৪৪৬৩, ১৩০৮৮১০, ১৩০৮৮১১, ১৩০৫৮৯০, ১৩০৫৯৯০,: সুনামগঞ্জ গণপূর্ত বিভাগের অধীনে- ১৩০২২০১. ১৩০২২০০, ১৩০২১৯৮, ১৩০৯১৯৪, ১৩০২১৮৯, ১৩০২২০২, ১২৭৯৮০১, ১২৭৫২৯০, ১২৪৯৮৭২. ১২৫৬০৬৩, ১২৫৯৬৩৮, ১২৪৯৮৬৮, ১২৫৩০৩০, ১২৫৩১২৬, ১১৮৭৫১৩, ১১৮৭৫১৫, ১১৮৭৫১৬, ১১৮৩১৮২, ১১২৬২৭০, ১১৪৭৩৯৪, ১১৫৫৫৯৪, ১১২৬১৭৩, ১১২৬২৬৬,১১৭০৯৭, ১১১৬১৬৫, ১১১৬২৯৩, ১১১৬৪১৪, ১১১৬৩৩৫, ১১১৭০৫৩, ১০৯১৪৩৬, ১০৭৪৭৫০, ১০৭৫৮৯৬, ১০৭৬০৫৪, ১০৭৫৭৮৯; হবিগঞ্জ গণপূর্ত বিভাগের অধীনে- ১২৯৮৪২৪, ১২৯৮৪৪৬, ১১৭৭৬৭৬, ১২৭৭৭৯৬, ১২৭৭৮৮১, ১২৭৭৮১১, ১২৭৭৬৭১, ১২৭৭৯০৬, ১২৩৮৭৯৯, ১২৫৮৮৭৮, ১২৫৮৮৮৫, ১২৫৮৮৮৬, ১২৫৮৯৬২, ১২৪৬৪৫৬, ১২৩২৫২৯, ১২৩২৫৩০, ১২৩২৫৩২, ১২৩৮৭৭৯, ১২২৩৩৩৮, ১২১৭৮৫৩, ১২১৭৮৪৭, ১২১৮৫০৩, ১২১৩৯২৮, ১২১৯৯৮৯, ১২২১১৬৩, ১২২০৬০১, ১২১৭৮৫৫, ১১৭৮৩০৬, ১১৭৮৮১৬, ১১৭৮৮১৬, ১১৯৪৮২১, ১১২৫০২৩, ১১২৫০৩৩, ১১১৬৩০৮, ১১৬৯০৬, ১১১৬১৫৯, ১১১৬২৯৬, ১১০৯০৫৭, ১১০৯২৪৭, ১১৭৮০৩১, ১১৭৮১৩০, ১০৩৯৭৬৩, ১০৩৬৬৩৩ এবং মৌলভীবাজার গণপূর্ত বিভাগের অধীনে- ১১১৪৫৩৬, ১২৯৮৩৩৩, ১২৯৮৩৩৪, ১২৯৬৪১৯, ১৩০২৫৬৮, ১২৪৭৩০৭, ১২৩২০১৫, ১২৪০৮৯৮, ১১৬৩৩০৫, ১২০৪৩৮১, ১১৫৬৮৯৯, ১১২৩৩৮২, ১১২৩৩৮০, ১১২৩৩৮৩, ১১১৭১০১, ১১২৩৩৮১, ১১১৬৫২৩, ১০২৪২৫৪, ১০১৮৮২৩, ১০১২৩৮৪, ৯৯৯৭৮৩, ৯৯৯৭৮৫, ৯৯৯৭৮৬। এই কাজগুলোর মধ্যে প্রকৌশলী ইলিয়াসের ভাই মাসুদ রানার নামে রানা কনস্ট্রাকশন এন্ড ভেলপমেন্টস এবং তার সহযোগী হিসাবে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা গোপালগঞ্জের টুঙ্গীপাড়া নিবাসী দীন ইসলামের প্রতিষ্ঠান মেসার্স এস এ এন্টারপ্রাইজ, ঢাকার বাবর এন্ড এসোসিয়েটস. কুষ্টিয়ার এক আ’লীগ নেতার প্রতিষ্ঠান গ্যালাক্সি এসোসিয়েটস্, ময়মনসিংহের নাঈমা এন্টারপ্রাইজসহ আরো কয়েকটি নামে এপিপির কাজসহ উন্নয়ন প্রকল্পের অসংখ্য কাজ পাইয়ে দিয়ে নিজ ভাইসহ নিকটস্থদের মাধ্যমে বেনামে ব্যবসা করে আজিমপুরের ন্যায় কযেক কোটি টাকা লোপাট করেছেন এই ইলিয়াস আহমেদ। লুটপাটের বাদশা ইলিয়াসের এই অনৈতিক কাজে তিনি সিলেটের সদ্য সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী আবু জাফর, সুনামগঞ্জের সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী নাজমুল ইসলাম হীরা ও সদ্য সাবেক মোল্লা রবিউল ইসলাম, মৌলভীবাজারের সাবেক মাহমুদুল হাসান ও হবিগঞ্জের সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী এ কে এম সাকিবুর রহমান মোটা অংকের পার্সেন্টেজের বিনিময়ে সহায়তা করেছেন বলে নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে।
আরও পড়তে পারেন: গণহত্যায় অর্থদাতা গণপূর্ত প্রকৌশলী ইলিয়াস ধরাছোঁয়ার বাইরে!
অনুসন্ধানে আরো জানা যায়, সার্কেলের আওতায় সিলেট গণপূর্ত বিভাগের অধীনে সিলেট এনএসআই ভবনের ভার্টিকেল এক্সটেনশন, ৮টি বিভাগীয় শহরে পরিপূর্ণ ক্যান্সার কিপনী ও হৃদরোগ চিকিৎসা কেন্দ্র স্থাপণ প্রকল্পের আওতায় সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে একটি ক্যান্সার কিডনী ও হৃদরোগ চিকিৎসা কেন্দ্র স্থাপণ, দুর্নীতি দমন কমিশনের বিভাগীয় কার্যালয়ের জন্য ভবন নির্মাণ, মেরিন একাডেমীর ভার্টিকেল এক্সটেনশন, সিলেট মেট্টোপলিটনের জালালাবাদ থানা ভবন নির্মাণ, আঞ্চলিক পাবলিক সার্ভিস কমিশন (বিপিএসসি) ভবন নির্মাণ, বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর জন্য সিলেটে আবাসিক পুলিশ টাওয়ার ভবন নির্মাণ, আনসার ও ভিডিপি আরমোরি ভবন নির্মাণ; সুনামগঞ্জ গণপূর্ত বিভাগের অধীনে বিটাক সেন্টার নির্মাণ, সুনামগঞ্জ মেডিকলে কলেজ ও হাসপাতালের রিমেইনিং ওয়ার্কস, সুনামগঞ্জ পুলিশ অফিসার্স মেস, ধর্মপাশা শাল্লা ও মধ্যনগর পুলিশ স্টেশন ভবন, সুনামগঞ্জ সদর থানা ভবন, সুনামগঞ্জ নার্সিং কলেজ, জগন্নাথপুর ও মোহনগঞ্জ কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের অবশিস্ট নির্মাণ কাজ; মৌলভীবাজার গণপূর্ত বিভাগের অধীনে জুড়ি ও সদর উপজেলা মডেল মসজিদ, জেলা পুলিশ লাইনে পুলিশ অফিসার্স মেস ও হবিগঞ্জ গণপূর্ত বিভাগের অধীনে হবিগঞ্জ নতুন সার্কিট হাউজ ভবন নির্মাণ, সদর মডেল থানা ভবন, বানিয়াচং পুৃলিশ স্টেশন ভবন, বাহুবল থানা ভবন, ৫ তলা এনএসআই ভবন নির্মাণ ও সদর উপজেলা টেকনিক্যাল ট্রেইনিং সেন্টার নির্মাণ কাজগুলোতে প্রকৌশলী ইলিয়াসের নেতৃত্বে ম্যাজারমেন্ট জালিয়াতি সিডিউল বহিভূর্ত নি¤œমাণের কাজ করানো, ইচ্ছেকৃত ভ্যারিয়েশন এনে পছন্দের ঠিকাদারদের কাজ পাইয়ে দেওয়াসহ প্রকৌশলগত বহুবিধ জাল-জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে। উল্লেখিত প্রত্যেকটি স্থাপনার কাজে প্রকৌশলী ইলিয়াস অধীনস্থদের উপড়ে বিভিন্ন উপায়ে চাপ প্রযোগ করে প্রভাব বিস্তার করে বা মোটা অংকের কমিশনের লোভে পেলে পছন্দের ঠিকাদারকে কাজ পাইয়ে দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট নির্ভরযোগ্য সূত্র।
অপরদিকে, আজিমপুর গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী থাকাকালীন সময়ে টেন্ডার বাণিজ্য ও ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের অগ্রিম বিল পরিশোধের মাধ্যমে অর্ধ সহ¯্রাধিক কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে বর্তমানে তার বিরুদ্ধে দুদকের তদন্ত চলছে। দুদকের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, “প্রকৌশলী ইলিয়াসের বিরুদ্ধে তদন্ত এখনও চলমান রয়েছে।” সিলেট গণপূর্ত বিভাগের এপিপি কাজের ওটিএম পদ্ধতির দরপত্র আইডি গুলো হলো: ১০৯৯১০৪, ১০৮৭৩৪৩, ১০৫৫৫৯৮, ১০৩৮৬৬৫, ১০৩৮২৯৮, ১০৩৭৪৭৯, ১০২৯৯৯০, ১০২৯১৬৭, ১০২৮০৮৫, ১০২৭৬৯৯, ১০২৭৫৮৯, ১০২৫৩২২, ১০১৩০৭৬ ও ১০১১৬৬৩। এই ওটিএম পদ্ধতির কাজগুলোর দরপত্র পছন্দের ঠিকাদারদের ১০% কম রেটে কোট দিয়ে কাজ পাইয়ে দিয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন ইলিয়াস আহমেদ ও মোঃ আবু জাফরের সিন্ডিকেট। প্রাক্কলন অনুমোদন ও টেক অনুমোদন পর্যায়ে ১০% কমিশন নিয়ে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোঃ ইলিয়াস কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ইলিয়াস আহমেদ ‘ফ্যাসিস্ট হাসিনার’ অন্যতম দোসর হিসেবে পরিচিত। জুলাই আন্দোলনের পরে ঢাকার প্রশাসনিক পদ থেকে সিলেটে বদলির মাধ্যমে কৌশলে নিজেকে প্রশাসনসহ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার নজরদারি থেকে দূরে সরিয়ে নিয়েছেন। সিলেটে বিএনপির নেতাদের সঙ্গে সখ্যতা গড়ে সিন্ডিকেটের কার্যক্রম জোরদার করেছেন। মোঃ আবু জাফরকে নিজের শিষ্য বানিয়ে সিলেট ক্যান্সার, হার্ট ও কিডনি হাসপাতালের ডিপিপির বাহিরে ১৮ কোটি টাকার দরপত্র (আইডি: ১০৯০৬৬১) আহ্বান করিয়ে দিয়েছেন। এ কাজে ফ্যাসিবাদি ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ১০% কমিশন নিয়েছেন এবং টেন্ডার নিয়ন্ত্র¿ণ করছেন। বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশনের রিজিওনাল ভবন নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় পাঁচটি প্যাকেজ একত্রিত করে ঢাকার পছন্দের ঠিকাদারদের কাজ পাইয়ে দিয়েছেন। সাব-স্টেশন, এসি সাপ্লাই, জেনারেটর, ইলেকট্রিক ক্যাবল, ইন্টারনেট, টেলিফোন ক্যাবল সাপ্লাই ও সিসিটিভি ক্যামেরাসহ এক অভিনব শর্ত দিয়ে দরপত্র (আইডি: ১০৮৯০২১) আহ্বান করেছেন, যা ঢাকার কয়েকটি প্রতিষ্ঠান ছাড়া অন্য কেউ এককভাবে কাজ করতে পারে না। শেষ পর্যন্ত তাদেরকেই কাজ পাইযে দিযেছেন এই মহা-দুর্নীতিবাজ লুটেরা প্রকৌশলী।
গত দুই বছর যাবৎ সিলেট গণপূর্ত সার্কেল ‘ইলিয়াস সিন্ডিকেটের’ কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে। ২০২৪ এর ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত ড্যামি নির্বাচনে খুনি হাসিনাকে গণপূর্ত অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে সর্ব প্রথম ফুলেল শুভেচ্ছা জানান ইলিয়াস আহমেদ।
সিলেট সার্কেলের অধীনে সিলেট ও সুনামগঞ্জের চলমান উন্নয়ন প্রকল্পগুলো লুটেরা লম্পট হিসেবে পরিচিত প্রকৌশলী ইলিয়াসের কারণে আজ মারাত্মক ঝুঁকির মুখে। ফ্যাসিস্ট হাসিনার অন্যতম খাস দোসর হিসেবে পরিচিত ইলিয়াস আহমেদের কাছে অসহায় হয়ে পড়েছেন সাধারণ ঠিকাদার, ছাত্র এবং জনতা।
বিষয়গুঃেলা নিয়ে কথা বলার জন্য গত সপ্তাহে প্রকৌশলী ইলিয়াসের মোবাইলে একাধিক বার কল করে ও হোয়াটস্ অ্যাপে ম্যাসেজ পাঠিয়েও কোন রেসপন্স না পাওয়ায় মতামত নেওয়া সম্ভব হয়নি। (ক্রমশ:)