
টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ ঘুরে এসে আসাদ মাহমুদ ও আলমগীর হোসেন॥ প্রকৌশলী শম্ভু রাম পাল। তিনি স্বৈরাচার ফ্যাসিবাদের অন্যতম দোসর হিসাবে পরিচিত গণপূর্ত প্রকৌশলীদের মধ্যে। স্বৈরাচার সরকারের প্রথমে খাদ্য ও পরে কৃষি মন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক ও হুইফ মির্জা আজমের প্রভাবকে কাজে লাগিয়ে টাঙ্গাইলে উপবিভাগীয় প্রকৌশলী (এসডিই) থেকে প্রোমোশনসহ সেখানেই দু’দফা নির্বাহী প্রকৌশলী দায়িত্বে থেকে নিজে যেমনি পার্সেন্টেজ বাবদ বড় অংকের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন, তেমনি আ’লীগের ঠিকাদারদেরকে আর্থিকভাবে প্রতিষ্ঠিত করে ফ্যাসিবাকে উসকে দিয়েছেন। আবার কট্টর হিন্দু মৌলবাদী সংগঠন ইসকনের সদস্য হিসেবে মুসলিম বিদ্বেষী কাজে নিয়মিত মোটা অংকের অর্থ ফ্যাইনান্স করাসহ পাশ^বর্তী একটি দেশে অর্থ পাঁচার করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। তথ্য সংশ্লিষ্ট নির্ভরযোগ্য সূত্রের।
অনুসন্ধানে জানা যায়, প্রকৌশলী শম্ভু ২০১৭ এর শুরু থেকে ২০১৮ নভেম্বর টাঙ্গাইল গণপূর্তে নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে প্রথম দফা দায়িত্ব পালন করেন। সে সময়ে মেসার্স নুরানী কনস্ট্রাকশন এলটিডি, বিথি কনস্ট্রাকশন ও মৃত্তিকা এন্টারপ্রাইজকে এলটিএম ওটিএম উভর প্রক্রিয়ায় একচেটিয়া কাজ পাইয়ে দিয়ে ব্যাপক আলোচিত সমালোচিত হন। বিশেষ করে টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (ওই সময়ে শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল), জেলা কারাগার, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল স্টেশন, সিজেএমসহ বিভিন্ন প্রকল্পে কখনো জেভি করে আবার কখেনো এককভাবে একচেটিয়া কাজ পাইয়ে দিয়ে তৎকালীন মন্ত্রীর দোহাই দিয়ে নি¤œমাণের কাজ করিয়ে পার্সেন্টেজ বাবদ মোটা অংকের অর্থ হাতিয়ে নেন তিনি। মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল প্রকল্পে অপ্রতিরোধ্য অনিয়ম জাল-জালিয়াতির কারণে সে সময়ে ৩জন নীরিহ শ্রমিক মারা গেলে তাকে মেহেরপুরে বদলী করা ২০১৮ এর শেষদিকে। সেখানেও মুজিবনগর প্রকল্প জেলা হাসপাতালসহ বিভিন্ন স্থাপণার নির্মাণে জাল-জালিয়াতির আশ্রয় নেন তিনি। পরবর্তীতে জুলাই বিপ্লবের পরে ভোল পাল্টে বিএনপি সেজে পুনরায় টাঙ্গাইলে ফিরে এসে অতীতের স্বৈরাচারের সাঙ্গপাঙ্গদের কাজ পাইয়ে দিয়ে নিজেকে স্বৈরাচারের প্রেতাত্মা হিসেবে আসল রূপ দেখিয়ে আসছেন তিনি।
বর্তমান ২০২৫-২৬ অর্থবছরে স্বৈরাচারের দোসর ওই মৃত্তিকা এন্টারপ্রাইজকে ৯,৭০,০৮,০৪৩/ টাকা চুক্তিমূল্যে ৬তলা ফাউন্ডেশনে ৬তলা বিশিষ্ট কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদপ্তরের টাঙ্গাইলে উপ-মহাপরিদর্শকের কার্যালয় নির্মাণ কাজটি পাইয়ে দিয়েছেন। কাজ পাওয়ার সুবিধার্থে আরেক স্বৈরাচার বাবর এন্টারপ্রাইজের সাথে জয়েন্ট ভেঞ্চার জেভি করে মোটা অংকের পার্সেন্টেজ বাগিয়ে নিয়েছেন নির্বাহী প্রকৌশলী শম্ভু। একই অর্থবছরে জেলা কারাগারে ৫তলা বিশিষ্ট সেল ভবন নির্মাণ কাজের টেন্ডার নিয়েও একইভাবে জাল-জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে স্থানীয় জেএস এন্টারপ্রাইজ নামক একটি প্রতিষ্ঠানকে কাজ পাইয়ে দেওয়া হয়। এভাবে প্রতিটি কাজে অনিয়ম দুর্নীতি ও প্রকৌশলগত জালিয়াতির আশ্রয় নেওয়ায় স্থানীয় সাধারণ ঠিকাদারদের মধ্যে বিরাজ করছে চরম হতাশা ক্ষোভ ও চাপা উত্তেজনা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ‘ব’ অদ্যক্ষরের এক ঠিকাদার বলেন, ছাই চাপা ক্ষোভ ও উত্তেজনার সুত্র ধরে প্রতারিত বঞ্চিতদের রোষাণলে পড়ে এই প্রকৌশলীকে লাঞ্চিত বা রক্তাক্ত হলে- তার দায়ভার বর্তমান পূর্ত প্রশাসন বহন করতে পারবে কী?
অপর এক অভিযোগে আরো জানা যায়, প্রথম দফায় প্রকৌশলী শম্ভু ডিভিশনটির দায়িত্বে থাকতে ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ১.৭৯,৭৬,৮৮৫/- বরাদ্দে টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও পুরনো ২৫০ শয্যার হাসপাতালকে ৫০০ শয্যায় উন্নীতকরন প্রকল্পে পুরনো হাসপাতাল ভবনে রেক্টোফিটিংসহ সামগ্রীক মেরামত কাজটি নুরানী কনস্ট্রাকশনকে পাইয়ে দেওয়া হয়। এই কাজে ওভারইষ্টিমেটেড সহ নি¤œমাণের কাজ করিয়ে প্রায় অর্ধকোটি টাকা ভাগ-বাটোয়ারা করেন তিনি। একইভাবে একই প্রকল্পে
গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে শম্ভু নাথ ২য় টার্মে পাল টাঙ্গাইলে যোগদানের পর থেকেই নতুন করে তার বিরুদ্ধে নানা ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতির লাগাতার অভিযোগ উঠছে। কর্মস্থলে যোগদানের পর থেকেই ঠিকাদারি কাজ বাছাইয়ে পক্ষপাত, নিম্নমাণের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহারকারীদের উসকে দেওয়া, বিল প্রসেসে ১% ঘুষ গ্রহণ, যাচাই-বাছাই না করেই ঘুষের বিনিময়ে বহুতল ভবনের নকশা অনুমোদন ও নির্মাণের ক্ষেত্রে তদারকি না করা, ভূমি অধিগ্রহণে স্থাবর সম্পদ বেশি দেখিয়ে ঘুষ গ্রহণসহ বহুবিধ অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে।
আরো জানা যায়, প্রকৌশলী শম্ভু ২০১৭-১৮ সালে ডিভিশনের দায়িত্বে থাকতে ২,২৪,১২৭৪৫/- টাকা চুক্তিমূল্যে জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট কোর্টে ৫০০ কেভিএ জেনারেটর সরবরাহ স্থাপণ ও টেষ্টিং কমিশনিং কাজ, একই অর্থবছরে টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ২,৬০,৮৭,৭৭০/- টাকা বরাদ্দে হাসপাতালে মেইন গেট বাউন্ডারী ওয়াল অভ্যন্তরীণ আরসিসি রাস্তা নির্মাণ, ২,২৪,৩২,৬৩৮/- টাকা চুক্তিমূল্যে মেডিকেল কলেজ ও হাপসপাতাল নির্মাণ প্রকল্পে হাসপাতাল পরিচালক ও মেডিকেল কলেজ অধ্যক্ষের বাসভবন নির্মাণ, একই অর্থবছরে একই প্রকল্পে ৪,৭৫,৪২,৪২৭/- টাকা বরাদ্দে ৬তলা ফাউন্ডেশনে ৬তলা বিশিষ্ট ৮০০ বর্গফুট এপার্টমেন্টের আবাসিক ভবন নির্মাণ, ৫,৩১,৩৬,৪৩৯/- টাকা বরাদ্দে ১২৫০ বর্গফুট বাসা বিশিষ্ট ৬ তলা ফাউন্ডেশনে ৩ তলা ভবন নির্মাণ, ৩,৫৮,৮২,৫১৩/- টাকা বরাদ্দে ৬০০ বর্গফুট বিশিষ্ট এপার্টমেন্টের ৬ তলা আবাসিক ভবন নির্মাণ, ৬,০১,৬০,৭৩১/- টাকা বরাদ্দে ৬তলা ফাউন্ডেশনে ১৫০০ বর্গফুট ও ১৮০০ বর্গফুটের এপার্টমেন্ট বিশিষ্ট আবাসিক ভবন নির্মাণ, ৪,৪২,৮৯,৩৩১/- টাকা বরাদ্দে ১০০০ বর্গফুটের ফ্ল্যাট বিশিষ্ট ৬তলা ফাউন্ডেশনে ৩তলা আবাসিক ভবন নির্মাণ, ৫,৫৭,৭০,১৫৯/- টাকা করে ১১,১৫,৪০,৩১৮/- টাকা বরাদ্দে পুরুষ ও মহিলা সিঙ্গেল ডক্টর একোমেডশনের জন্য ১০ তলা ফাউন্ডেশনে ২টি ৬ তলা ভবন নির্মাণ, ১,৪৩,৯৮,৪৩৫/- টাকা বরাদ্দে ৩তলা ফাউন্ডেশনে ২ তলা মসজিদ ভবন নির্মাণ কাজগুলোতে ব্যাপক অনিয়ম দুর্নীতির কারণে হস্তান্তরের এক বছর পর থেকেই সংস্কার মেরামতের নামে প্রতিবছর প্রায় কোটি টাকা বরাদ্দ দেখিয়ে ওই খাত থেকেও অর্থ লোপাট হচ্ছে প্রতিনিয়ত। ওই সময়ে মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল নির্মাণ প্রকল্পে অভ্যন্তরীণ সড়ক, ল্যান্ড স্কেপিং, এসটিপি, স্যুয়ারেজ লাইন, ড্রেন, ডিপটিউবওয়েল, টিউবওয়েল, স্যানিটারি পাইপ ফিটিংস, বিভিন্ন ধরণের বৈদ্যুতিক মোটর ও পানির পাম্প, আরসিসি ড্রেন, রেইন ওয়াটার হার্ভেষ্টিং, খেলার মাঠ, পুকুর, ঘাটলা, ওয়াকওয়ে, আন্ডারগ্রাউন্ড ওয়াটার রিজার্ভার, মেডিকেল বর্জ্য সংরক্ষণাগার, লিফট ও লিফট যন্ত্রাংশ, সাবষ্টেশন ইক্যুইপমেন্টস্, বিভিন্ন মাপের বৈদ্যুতিক সাবষ্টেশন জেনারেটর, এসি ভিআরএফ, গার্ডেন ও সিকিউরিটি লাইট, ফায়ার প্রটেকশন ও ডিটেকশন সিস্টেম ফায়ার ফাইটিং ইক্যুইপমেন্ট সোলার প্যানেল পিএবিএক্স ও নেটওয়ার্কিং সিষ্টেম স্টেজ লাইট ভার্টিকেল ব্লাইন্ড বিভিন্ন ধরণের বৈদ্যুতিক লাইটসহ বৈদ্যুতিক ফির্টিং ফিক্সারস্ এক্সটারনাল ও ইন্টারন্যাল ইলেকট্রিফিকেশন কাজগুলো নিয়ে নি¤œমাণের মালামাল ব্যবহার করে প্রায় কোটি টাকা লোপাট করেন এই নির্বাহী প্রকৌশলী শম্ভু। বিষয়গুলো নিয়ে ওই সময়ে পত্র-পত্রিকায় তথ্যবহুল সংবাদ প্রকাশিত হলেও স্বৈরাচার মন্ত্রী এমপিদের আশ্রয়-প্রশ্রয়ে কোন ধরণের ব্যস্থা গ্রহণ করো হয়নি তার বিরুদ্ধে। এমনকি গণমাধ্যম কর্মীরা তথ্যাধিকার আইনে এ বিষয়ক তথ্যাদি চেয়েও অনেক হয়রানীর শিকার হতে হয়েছে।
একই সময়ে ১,৭০,২১,৯২২/- টাকা বরাদ্দে গোপালপুর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল স্টেশন, ১,৬৯,৫৬,৫৩৭/- টাকা চুক্তিমূল্যে কালিহাতি ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ষ্টেশন, ৮১,০৯,০৩৮/- টাকা চুক্তিমূল্যে জেলা কারাগারের উত্তর পাশের্^র সীমানাপ্রাচীর নির্মাণ, ১,৭৪,৫৮,৪৫০/- টাকা বরাদ্দে জেলা কারাগারে ৬তলা ফাউন্ডেশনে ৫তলা আবাসিক ভবন নির্মাণ, ৩,৩৬,৮৯,১৮৬/- টাকা বরাদ্দে জেলা পুলিশ লাইনে পুলিশ অফিসার্স মেস ভবন নির্মাণ, ৭,৭৯,১৩,৭৯৭/- টাকা চুক্তিমূল্যে জেলা পুলিশ লাইনে ৪তলা ফাউন্ডেশনে ৩তলা পুলিশ হাসপাতাল ভবন নির্মাণ, ২,১৯,৭৪,৪২৩/- টাকা বরাদ্দে মির্জপুর পুলিশ স্টেশনের ভার্টিকেল এক্সটেনশন, ১৭,৭২,৫৭,৪৭১/- টাকা চুক্তিমূল্যে নাগরপুর কারিগরী প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নির্মাণ এবং ঘাটাইলে সাগরদীঘিতে পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র ও জেলা রেজিস্ট্রারের দপ্তর নির্মাণে ২/৩ গুণ ওভার ইস্টিমেটেড কষ্টসহ বিভিন্ন কারিগরী জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে অনিয়মের আশ্রয় নিয়ে কয়েক কোটি টাকা লোপাট করেন এই ধুরন্ধর অথচ ভ্যাবাচেকা ভাব দেখানো প্রকৌশলী শম্ভু নাথ। চাকরী জীবনে এভাবে অনৈতিক পথে উপার্জিত অর্থে ঢাকা মোহাম্মদপুরে বিলাশবহুল এপার্টমেন্ট টাঙ্গাইলের নাগরপুরে অর্ধশতাধিক বিঘা কৃষি জমি ও টাঙ্গাইল শহরে দোকান বাণিজ্য বিতানসহ নামে-বোনমে প্রায় অর্ধশত কোটি টাকার মালিক এই লুটেরা দুর্নীতিবাজ প্রকৌশলী। এ নিয়ে বিস্তারিত থাকছে পরবর্তীতে।
স্থানীয় ঠিকাদার ও ভূক্তভোগীদের অভিযোগ, তিনি স্বৈরাচার আ’লীগের নির্দিষ্ট ঠিকাদারের পক্ষ নিয়ে টেন্ডার প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নষ্ট করছেন। তিনি অনৈতিক সুবিধা গ্রহণ করে ঠিকাদারদের এপ্রুফড এ্যাস্টিমেট (অনুমোদিত প্রাক্কলন) বাইরে সরবরাহ করে থাকেন। অনৈতিক সুবিধা গ্রহণের মাধ্যমে সরকারের উন্নয়নমূলক কাজের জন্য ভূমি অধিগ্রহনে জমি ও স্থাপনার অতিরিক্ত মূল্য দেখানো, এছাড়া চলমান প্রকল্পগুলোতে নকশা ও শর্ত অনুযায়ী কাজ না করে নি¤œমাণের কাজ সম্পন্ন করায় লাগাতার সরকারি অর্থের অপচয় হচ্ছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক ঠিকাদার বলেন, ইতিপূর্বে তিনি যখন টাঙ্গাইলে ছিলেন, তখনও তিনি একই ভাবে দুর্নীতি করেছেন। তখন কোর্ট বিল্ডিং নির্মাণের কাজটি দুর্নীতির মাধ্যমে তৎকালীন আ’লীগ সরকার মন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাকের নিকট আত্মীয় খন্দকার তারেক ইসলামের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান নূরানী কন্সট্রাকশনকে পাইয়ে দেন। বিষয়টি সকলেই জানেন। এখন তিনি একই পন্থায় “পরিবেশ ভবন” নির্মাণের অনুমোদিত প্রাক্কলনের কপি একজন ঠিকাদারকে দিয়ে তার কাছ থেকে মোটা অংকের অনৈতিক সুবিধা নিয়েছেন।
এসময় অন্য এক ঠিকাদার বলেন, আমি শুনেছি ১০ লাখ টাকায় বিষয়টি মিমাংসা হয়েছে। এসময় ওই ঠিকাদারের কাছে জানতে চাওয়া হয়, যদি আপনি কাজটি দেয়া হয়, তাহলে আপনি কত টাকা দিতেন। এসময় ঠিকাদার বলেন, আমি ১৫ লাখ টাকা দিয়ে হলেও কাজটি নিতাম।
এ বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা বলেন, নির্বাহী প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে অভিযোগ দীর্ঘদিনের হলেও ৫ আগস্টের পর একটি রাজনৈতিক দলের ২/৩ জন সিনিয়র নেতার দাপটে তিনি বহালতবিয়তে দায়িত্ব পালন করছেন।