ঢাকা | বঙ্গাব্দ

প্রকৌশলী ফুলকামের লুটপাটের বাদশাহী রাজত্ব নরসিংদী এলজিইডি!

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Sep 15, 2026 ইং
প্রকৌশলী ফুলকামের লুটপাটের বাদশাহী রাজত্ব নরসিংদী এলজিইডি! ছবির ক্যাপশন:
ad728
মুসাফির আসাদ:
 লুটপাট অনিয়ম দুর্নীতি আর লাগাতার নারী কেলেঙ্কারীর বাদশাহী রাজত্ব খুলে বসেছেন এক এলজিইডি প্রকৌশলী। এই রাজত্বে স¤্রাট উজির নাজিরদের মনোরঞ্জনে ঢাকার মনিপুরী পাড়াসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় বাদশাহী হেরেমখানা খুলে বসেছেন তিনি। সেখানে এরজিইডি’র রাঘববোয়ালসহ মন্ত্রণালয়ে উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা মৌমাছির ন্যায় মধু আহরণে নিয়মিত যাতায়াত করছেন বলে একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে।  তিনি ফুলকাম বাদশাহ নামে এলজিইডি’তে পরিচিত।
সেপ্টেম্বর ২০২৪ থেকে তিনি আছেন নরসিংদী এলজিইডি’র নির্বাহী প্রকৌশলী পদে। ২০২৫ ও ২০২৬ এর জুন ক্লোজিংয়ের নামে নি¤œমাণের কাজ ভূয়া বিল ভাউচারসহ বিবিধ প্রকৌশলগত জালিয়াতির মাধ্যমে হাতিয়ে নিয়েছেন কয়েক কোটি টাকা।  এ সময়ে মেসার্স মনির এন্ড কোং, রহমান ব্রাদার্স, এনএইচবি ট্রেডার্স, আরএস কনস্ট্রাকশন, প্রগতি এন্টারপ্রাইজ মারকো ইন্টারন্যাশনাল ও আমজাদ ট্রেডার্সসহ আরো ২/১টি প্রতিষ্ঠানকে নিয়ে গোপণ টেন্ডার সিন্ডিকেট তৈরী করে পিপিআর এর বিধি নিষেধকে পায়ে মাড়িয়ে ওই সকল পছন্দের প্রতিষ্ঠানকে কাজ পাইয়ে দিয়ে বরাদ্দের ৫% হিসাবে আরো কয়েক কোটি টাকা লেপাট করেনে এই দুর্নীতিবাজ নারীখোর প্রকৌশলী।
 

eq‡d«Û AvwZ‡Ki mv‡_ cÖ‡KŠkjx dzjKvg ev`kvni ¯¿x


অপরদিকে লীগ আমলে বঙ্গবন্ধু প্রকৌশলী পরিষদের নেতা হিসাবে দাপিয়ে বেড়িয়েছেন গোটা এলজিইডি প্রশাসন। অথচ জুলাই প্লিবের পরে নরসিংদীতে পোস্টিং বাগিয়ে নিয়ে এখনো বহালতবিয়তে আছেন। বর্তমানেও ফ্যাসিস্ট হাসিনার প্রেতাত্মা এই প্রকৌশলী স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর আত্মীয় পরিচয়ে ক্ষমতা ও প্রভাব দেখাচ্ছেন এলজিইডি প্রকৌশলীদের ওপরে। আওয়ামী সরকারের সময়ে পিরোজপুরের নির্বাহী প্রকৌশলী পদে থাকতে ভান্ডারিয়ার সাবেক এমপি মিরাজ মহিউদ্দিন মহারাজ ও মনি হুজুরদের সাথে নিয়ে কাজ না করেে কয়েকশ’ কোটি টাকা লোপাট করেন এই ফূলকাম বাদশাহ্। এ নিয়ে বহু তদন্ত হলেও ধরাছোয়ার বাইরে রয়েছেন এই প্রকৌশলী। চলতি বছরের মে মাসে নরসিংদী থেকে তার বদলী অর্ডার হলেও কাড়ি কাড়ি অবৈধ অর্থ ও কথিত হানিট্র্যাপের প্রয়োগের মাধ্যমে ওই বদলী অর্ডার বাতিল করতে সক্ষম হয়েছেন।আ’লীগের আমলে এই প্রকৌশলী দেশের দক্ষিণাঞ্চলের আয়রন ব্রিজ পুনর্র্নিমাণ/পুনর্বাসন প্রকল্প (ওইজচ)-এর সঙ্গে দায়িত্ব পালনকালে তার বিরুদ্ধে প্রকল্পের বিভিন্ন প্যাকেজে কাজ না করে পিডিসহ উর্দ্ধতনদের যোগসাজশে বিল উত্তোলনের অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলেও এখনো রয়ে গেছেন ধরাছোঁয়ার বাইরে। তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলায় ১২৫টি প্যাকেজসহ মোট ১২৮টি প্যাকেজের বিপরীতে কাজ না করে বিলের মাধ্যমে ২৩৫ কোটি ৮৯ লাখ ১৮ হাজার ৩০০ টাকা উত্তোলনের মাধ্যমে সমূদয় টাকা আত্মসাৎ করছে সাবেক পিডি ও নিবাহী প্রকৌশলী ফুলকাম বাদশাহ। এভাবে অবৈধ উপার্জিত অর্থে নামে-বেনামে দেশ-বিদেশে অগাধ সহায়-সম্পদের মালিক হয়েছেন তিনি। থাইল্যান্ডে রিসোর্টসহ বিভিন্ন ব্যবসায় অর্ধশতাধিক কোটি টাকা বিনিয়োগ রয়েছে বলে নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়। সেখানে ফুলকাম বাদশাহর স্ত্রী ব্্যবসাগুলো দেখাশুনা করছেন বলেও জানা গেছে।
অপরদিকে প্রকৌশলী ফুলকাম বাদশাহর সুন্দরী স্ত্রীকে নিয়ে গওে বেড়ায় তার বন্ধা এলজিইডি’র আরেক প্রকৌশলী অতিকুল ইসলাম। এ নিয়ে ব্যাপক আালোচনা সমালোচনা চলছে এলজিইডি প্রকৌশলী ও ঠিকাদারদের মধ্যে। ফুলকাম বাদশাহ নিজের হেরেমখানাগুলোতে এলচিইডি’র একশ্রেণীর নারী প্রকৌশলী ও চাকরি প্রত্যাশী অল্প বয়সী মেয়েদের নিয়ে মধুকুঞ্জ গড়ে তুলেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। 
বিষয়গু–লো নিয়ে কথা বলার জন্য তার ব্যবহৃত মোবাইলে গত ১৪ সেপ্টেম্বর একাধিক বার ফোন দিয়ে কোন রেসপন্স না পাওযায় মতামত পাওয়া সম্ভব হয়নি। (ক্রমশঃ)  



শেয়ার করুন:
কমেন্ট বক্স